ঢাকাবৃহস্পতিবার, ১লা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

ভিটামিন-ডি এর অভাব কেন হয়? এবং এর লক্ষণগুলো কি?

ঢাকা কনভারসেশন ডেস্কঃ
জুন ৪, ২০২২ ২:৫২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের ভিটামিন ডি-এর অভাব বেশি দেখা যায়। কোন কোন লক্ষণ দেখলে বুঝবেন এই ভিটামিনের অভাব হয়ে থাকতে পারে? কোন কোন লক্ষণ দেখলে সাবধান হবেন?

পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের মধ্যে ভিটামিন ডি-এর অভাব বেশি মাত্রায় দেখা যায়। এর ফলে হার্ট অ্যাটাক, হৃদরোগ, ডায়াবিটিস এবং উচ্চ রক্তচাপের আশঙ্কা তৈরি হয়। গর্ভাবস্থায় ভিটামিন ডি-এর মাত্রা কমে গেলে প্রি-এক্লাম্পসিয়া, গর্ভকালীন ডায়াবিটিসের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। কেন মহিলাদের ভিটামিন ডি-এর অভাব হয়? প্রথমে সেটি জেনে নেওয়া যাক।

যে সব মহিলারা স্তন্যপান করান, তাঁদের এই ভিটামিনের অভাব হতে পারে। আবার মেনোপজের পরে হরমোনের পরিবর্তন হয় শরীরে। তখনও এই ভিটামিনের অভাব হতে পারে।

মহিলাদের মধ্যে অনেকেই ঘরের কাজে বা অফিসে ব্যস্ত থাকেন। এই কারণে তাঁরা সূর্যের আলোয় কম বেড় হয় । তাই তাঁদের শরীরে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি দেখা দেয়।

পুরুষের তুলনায় মহিলারা অনেক বেশি ত্বকঢাকা পোশাক করেন। এটিও ভিটামিন ডি-র ঘাটতির অন্যতম কারণ।

ভিটামিন ডি-এর অভাব হয়েছে কি না, কী করে বুঝবেন? ক্লান্তি, গাঁটে গাঁটে ব্যথা, পা ফুলে যাওয়া, দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে অসুবিধা, পেশির দুর্বলতা, শরীরে দাগ, ওজন বেড়ে যাওয়া, ত্বক কালো হওয়া ইত্যাদি এর লক্ষণ।

ভিটামিন ডি-এর মূল লক্ষণগুলি দেখে নিন।

১. ভিটামিন ডি-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী রাখা। আপনি যদি প্রায়ই ফ্লু, জ্বর এবং ঠান্ডা লাগায় ভুগতে থাকেন, তাহলে ভিটামিন ডি-এর মাত্রা আপনার শরীরে কম বলে ধরে নিতে পারেন।

২. ভিটামিন ডি-এর অভাবে মহিলারা প্রায়ই উদ্বিগ্ন এবং ক্লান্ত বোধ করেন। মানসিক চাপ ও টেনশনে নারীরা দিনভর বিষণ্ণ থাকেন। এটিও ভিটামিন ডি-এর অভাবের অন্যতম লক্ষণ।

৩. অস্ত্রোপচার বা আঘাতের পরে যদি ক্ষতটি খুব ধীরে ধীরে শুকোয়, তবে এটির কারণ ভিটামিন ডি-এর অভাবও হতে পারে।

৪. ভিটামিন ডি-এর অভাবে হাড়ের ঘনত্বও কমে যেতে পারে। হাড় এবং পেশিতে ক্রমাগত ব্যথা হতে পারে। মহিলাদের কোমরে ব্যথার সমস্যা হয় ভিটামিন ডি-র অভাবে। আর পা ফুলে যেতে পারে এর ফলে।

৫. ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণ করতে, প্রথমেই চেষ্টা করুন প্রতিদিন সকালে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রোদে কাটাতে। এছাড়াও ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার যেমন চর্বিযুক্ত মাছ (স্যামন বা টুনা) এবং কম চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার খান।

৬. তৈলাক্ত মাছ, ডিমের কুসুম, কড লিভার তেল এই ভিটামিনের ভালো উৎস। চিকিৎসকের পরামর্শে এগুলি নিয়মিত খেলে কমতে পারে এই ভিটামিন-ডি এর ঘাটতি।