ঢাকাবৃহস্পতিবার, ১লা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

জি২০ সম্মেলন: জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের সময় ল্যাভরভের ওয়াকআউট

ইমরান রহমান অনিম
জুলাই ৮, ২০২২ ৫:৫৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

জি২০ সম্মেলনে জার্মানির বক্তব্যের সময় বৈঠক কক্ষ থেকে বেরিয়ে গেলেন (ওয়াকআউট) রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। শুক্রবার (৮ জুলাই) ইউক্রেনে সামরিক অভিযান নিয়ে পশ্চিমা নেতাদের তীর্যক সমালোচেনার জবাবে সম্মেলনস্থল ত্যাগ করেন রাশিয়ার শীর্ষ এ কূটনীতিক। খবর আল জাজিরার।
ইউক্রেন সংঘাতকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) ইন্দোনেশিয়ার বালিতে শুরু হয় দুদিনব্যাপী জি২০ মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন। সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন রুদ্ধদ্বার বৈঠকে মস্কোর ইউক্রেন অভিযানের তীব্র নিন্দা জানান ওয়াশিংটন ও মিত্র দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। এ সময় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনও উপস্থিত ছিলেন।

তবে জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবকের বক্তব্যের সময় বৈঠক থেকে বের হয়ে যান। এ সময় ল্যাভরভ বলেন, ‘সম্ভবত, পশ্চিমাদের সঙ্গে আলোচনা করার কিছু নেই।’ এদিন বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে উপায় খুঁজে বের করার আহ্বান জানায় স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া।
বালিতে সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো মারসুদি বলেন, আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে এ যুদ্ধ দ্রুত বন্ধ করা। এ ক্ষেত্রে আমাদের দায়িত্ব আলোচনার মাধ্যমে মতপার্থক্য দূর করা, যুদ্ধ ক্ষেত্রে না। তিনি বলেন, বিশ্ব সবেমাত্র কোভিড-১৯ মহামারি থেকে বেরিয়ে আসা শুরু করেছে। আর এ সময় তাদের আরেকটি সংকট ইউক্রেন যুদ্ধের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

মারসুদি আরও বলেন, এ যুদ্ধের প্রভাব বিশ্বব্যাপী লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যুদ্ধের কারণে খাদ্য ও জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। এতে সারাবিশ্বে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম ইতোমধ্যে অনেক বেড়ে গেছে। এ ধরনের পরিস্থিতির ক্ষেত্রে সর্বদা উন্নয়নশীল ও স্বল্প আয়ের দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেখা যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে মস্কোকে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পশ্চিমাবিশ্বকে চাপ সৃষ্টি করা ছাড়াই এ যুদ্ধ বন্ধে এর আগেও আহ্বান জানিয়েছিল দেশটি।

এদিকে পূর্ব-ইউক্রেনের দোনেৎস্ক অঞ্চলে রুশ বাহিনীর অব্যাহত রয়েছে। শুক্রবার (৮ জুলাই) উত্তরাঞ্চলের খারকিভ ও পূর্বাঞ্চলের ক্রামাতোরস্ক শহরে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে পুতিন বাহিনী। এতে অন্তত চারজন বেসামরিক নাগরিক নাগরিক নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।