ঢাকাবৃহস্পতিবার, ১লা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

জীবানু অস্ত্র তদন্তে রাশিয়ার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে জাতিসংঘ

বার্তা বিভাগ
নভেম্বর ৩, ২০২২ ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ইউক্রেনে জীবানু অস্ত্রের কথিত উন্নয়নে ওয়াশিংটনের জড়িত থাকার অভিযোগের তদন্তের আহ্বান জানিয়ে প্রস্তাব করেছে রাশিয়া। এ প্রস্তাব বুধবার (২ নভেম্বর) নিরাপত্তা পরিষদ প্রত্যাখ্যান করেছে।

রাশিয়া গত সপ্তাহে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের অভিযোগের তদন্তের অনুরোধ করেছিল।
বুধবার ভোটে যে রেজুলেশন পেশ করা হয়েছিল নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে তদন্তের পক্ষে রাশিয়া ও চীন। বিপক্ষে ফ্রান্স, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন অবস্থান নেয়। নিরাপত্তা পরিষদের ১০টি অস্থায়ী সদস্য সবাই ভোটদানে বিরত ছিলেন।

জীবানু অস্ত্রের উন্নয়ন, উৎপাদন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করার কনভেনশনের অধীনে তাদের বাধ্যবাধকতা সম্পর্কে ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউক্রেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের সকল সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিশন গঠনের’ পাঠ্যটি প্রদান করা হয়েছে।

রাশিয়ার ডেপুটি রাষ্ট্রদূত দিমিত্রি পলিয়ানস্কি ভোটের ফলাফলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘পশ্চিমা দেশগুলো সব উপায়ে প্রদর্শন করেছে যে, আইন তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।’

তিনি বলেন, ‘এটি একটি স্বাভাবিক ঔপনিবেশিক মানসিকতা যা আমরা অভ্যস্ত এবং এতে আমরা বিস্মিতও হই না।’ আগামী ২৮ নভেম্বর থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত জীবানু অস্ত্র পর্যালোচনা সম্মেলনে এই বিষয়ে ফিরে আসার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত লিন্ডা থমাস-গ্রিনফিল্ড প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে কারণ, এটি নিরাপত্তা পরিষদের জন্য ভুল তথ্য, অসততা, খারাপ বিশ্বাস এবং সম্পূর্ণ সম্মানের অভাবের উপর ভিত্তি করে।’

মার্কিন রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, এই প্রস্তাবটি ‘রাশিয়ার প্রতারণা এবং মিথ্যার একটি মাইলফলক’ এবং ‘চীন ছাড়া কেউ এর পক্ষে ভোট দেয়নি।’

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেন এরইমধ্যে গত সপ্তাহে রাশিয়ার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। আমেরিকানরা তাদের ‘বিশুদ্ধ বানোয়াট’ বলে অভিহিত করেছে।

নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক জাতিসংঘের ডেপুটি হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ অ্যাডেজি ইবো সেই সময়ে পুনর্ব্যক্ত করেছিলেন, জাতিসংঘের এই জাতীয় কর্মসূচির কোনো জ্ঞান ছিল না এবং দাবিগুলো তদন্ত করার জন্য তাদের কোনো আদেশ বা প্রযুক্তিগত ক্ষমতা ছিল না।

সূত্র: এএফপি