রবিবার , ১২ই অক্টোবর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ || ২৭শে আশ্বিন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ - শরৎকাল || ২০শে রবিউস সানি, ১৪৪৭ হিজরি

রফতানি আয়ে ৫০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক বাংলাদেশের

প্রকাশিত হয়েছে- বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন, ২০২২

রফতানিতে ৫০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করলো বাংলাদেশ। অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ছাড়িয়ে আরও ৪০০ কোটি ডলার বেশি আয় হয়েছে। এমন সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে ব্যবসায়ীরা নীতি সহায়তার প্রতিফলন চান। তাহলেই মেইড ইন বাংলাদেশের বাজার পরিধি আরও বাড়বে।
করোনার ধাক্কা, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধসহ সব ছাপিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি।

স্বাধীনতার পরবর্তী ২৫৩ কোটি ডলার রফতানি আয়ের বাংলাদেশ ৫০ বছরে স্পর্শ করলো ৫০ বিলিয়ন বা ৫ হাজার কোটি ডলারের মাইলফলক। তেল রফতানিকারক দেশ বাদে এশিয়ায় শীর্ষ ২০ এর তালিকায় আর দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের পরই এখন বাংলাদেশের অবস্থান।

সাড়ে ৪৩ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসেই ৪৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি বাংলাদেশি পণ্য বিদেশে গেছে। অর্থবছর শেষে ৫ হাজার কোটি ডলারের পণ্য আর সেবা খাতে যোগ হবে আরও অন্তত ৮ হাজার কোটি ডলার। এ অর্জনের ৮২ শতাংশই এসেছে তৈরি পোশাকের ওপর ভর করে। বাকিটা চামড়া, পাটসহ অন্য পণ্যের অবদান। এ ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পণ্য বহুমুখী করে বিদেশে নতুন বাজার ধরতে ব্যবসায়ীদের সব রকম সহায়তা অব্যাহত রাখার দাবি ব্যবসায়ীদের।
বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতির (এফবিসিসিআই) পরিচালক মো. নিজাম উদ্দিন বলেন, প্রত্যেক দূতাবাসে বিভিন্ন দেশের বিজনেস কাউন্সিলর আছে। সে দেশে কোন কোন পণ্য রফতানি হতে পারে বা বাংলাদেশের কোন পণ্যে বাজার সেখানে রয়েছে, এগুলো খুঁজে দেখার দায়িত্ব কিন্তু তাদের। আমরা অনেক ক্ষেত্রে এসব বিষয়ে অসহযোগিতা পেয়ে থাকি। এ বিষয়ে যদি সহযোগিতা পেয়ে থাকি তাহলে আমরা অনেক পণ্য নিয়ে নতুন নতুন বাজার তৈরি করতে পারব। শুধু একটা দুইটা পণ্যের ‍ওপর নির্ভরশীল থাকতে হবে না।

এদিকে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ডলার সংকট কাটাতে রফতানি আয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

অর্থনীতিবিদ ড. আবু ইউসুফ বলেন, রফতানি বহুমুখীকরণের আসলে কোনো বিকল্প নেই। আমরা যদি পণ্য বহুমুখী, পণ্য থেকে সেবা বহুমুখী, মান বহুমুখী এবং বাজার বহুমুখী করতে পারি তাহলে আমাদের রফতানি আয় আরও বাড়বে।

রফতানির এ অর্জন ধরে রাখতে নতুন অর্থবছরের জন্য শুধুমাত্র তৈরি পোশাকেই ৫০ বিলিয়ন ডলার রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে চায় সরকার। পণ্য ও সেবা মিলিয়ে লক্ষ্যমাত্রা হতে পারে ৬০ বিলিয়ন ডলার।