সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০ ইং, ১০ কার্তিক ১৪২৭ বাংলা

বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত
ইমরান রহমান অনিম প্রকাশিত হয়েছে: ২০২০-০৯-২৪ ২১:০৪:০৬ /
ভারতকে দেখুন, কী নোংরা: ডোনাল্ড ট্রাম্প

এ যেন প্রাকৃতিক এক সাধারণ দৃশ্যের মধ্যে অসাধারণ সৌন্দর্য খুঁজে ফেরা।স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের মোহনীয় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঢাকা বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত। যা দিনের বিভিন্ন ক্ষণে নিজের রূপ পাল্টিয়ে একজন প্রকৃতি প্রেমীকে করবে মোহগ্রস্ত।

অপার সৌন্দর্যে ভরা চট্টগ্রামের বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত। কারণ, কোন কৃত্রিমতাহীন প্রকৃতিকে প্রকৃতির মত উপভোগ করার সব উপাদানই আছে সেখানে।এখানে রয়েছে সুবিশাল ঝাউবন, ম্যানগ্রোভ বন,বালুচর,সমুদ্রের মৃদুমন্দ ঢেউ,মাছের ঘের, রাখালের ঘরে ফেরা,পাখির কলকাকলি কিংবা গোধূলির শতেক রং।

হালিয়াপাড়া পয়েন্টের পাশেই রয়েছে দুটি গ্রাম ;হালিয়াপাড়া এবং বাগমারা। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে অনিন্দ্য সুন্দর দুটি খাল জলকদর এবং সোনাইছড়ি।চাইলে সেখানেও টুঁ মেরে আসতে পারেন।

কখন যাবেন

একেক ঋতুতে এ সৈকতের সৌন্দর্য একেক রকম হয়। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, জুন থেকে সেপ্টেম্বর সময়কালই যাওয়ার উপযুক্ত সময়। কারণ এ সময়ে ভালো জোয়ারের পানি উঠে যেটা খুবই মনোমুগ্ধকর।মনে রাখবেন, সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ২ টা পর্যন্ত সাধারণত জোয়ারের পানি থাকে। অবশ্যই গোধূলী মিস করবেন না, ভাটার সময় গোধূলিবেলা ভীষণ সুন্দর।

কিভাবে যাবেন

চট্টগ্রাম শহর থেকে বাঁশখালী সমুদ্র সৈকতের দূরত্ব প্রায় ৩৫ কিমি, মিনিবাস এবং সিএনজি যোগে খুব সহজে সেখানে যাওয়া যায়। মিনিবাসে কিভাবে যাবেন সেটা আমি বিস্তারিত বলছি।শাহ আমানত সেতু এলাকায় বাঁশখালী স্পেশাল সার্ভিসের কাউন্টার আছে।

শাহ আমানত সেতু থেকে বাসে উঠে বৈলছড়ি বাজার নামতে হবে বাস ভাড়া নিবে ৬৫ টাকা। এর পর বৈলছড়ি বাজার থেকে সোজা পশ্চিমে অটোরিকশা/সিএনজি যোগে সাগর পাড়; জনপ্রতি ৪০ টাকা ভাড়া নিবে।

গাড়ি থেকে নেমেই দেখতে পাবেন বিশাল ঝাউবন সেটাকে হালিয়াপাড়া পয়েন্ট বলে, যেখানে সবুজের মাঝে আপনি অবগাহন করবেন। এরপর সেখান থেকে সোজা উত্তর দিকে সমুদ্র তীর ধরে হেঁটে হেঁটে বাহারছড়া পয়েন্ট যাবেন।হালিয়া-পাড়া পয়েন্ট থেকে বাহারছড়া পয়েন্টে যাওয়ার পথ টায় সবচেয়ে সুন্দর। (অবশ্যই, যাদের তাঁবু আছে তারা তাঁবু নেয়ে যাবেন)।
থাকা এবং খাওয়া

সাধারণত বাঁশখালী সমুদ্র সৈকতে দিনের ট্যুর করা শ্রেয় কারণ সেখানে রাত যাপন করার তেমন ব্যবস্থা নেই। আর বাহারছড়া পয়েন্টে কিছু খাবার দোকান আছে সেখানে নাস্তা করার মতো খাবার পাবেন তাই পরামর্শ থাকবে, সৈকতে যাওয়ার পথে কিছু বাজার পাবেন সেখান থেকেই প্রয়োজনীয় খাবার কিনে ফেলবেন।

নোট

ভ্রমণের সময় যেকোনো জায়গায় ময়লা-আবর্জনা ফেলে সুন্দর প্রকৃতিকে দূষিত করবেন না। ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলবেন।

 

সরকার করোনাভাইরাসকে ব্যবহার করে দুর্নীতির পাহাড় গড়েছে: ফখরুল