বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০ ইং, ১৩ কার্তিক ১৪২৭ বাংলা

সাংস্কৃতিক ক্ষুদ্রতা ছাপিয়ে সাফল্যের অন্তরায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা!
ঢাকা কনভারসেশন ডেস্ক প্রকাশিত হয়েছে: ২০২০-১০-০৩ ১৭:২৯:৪২ /
হাজী সেলিমের ছেলে এরফান গ্রেফতার

বাংলাদেশিদের বিদেশে বসত গড়া খুব বেশি পুরনো নয়; আবার খুব নতুনও নয়। তবে বিদেশে এলেও সাফল্য যেন একটি বাড়ি আর গাড়ি কেনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকে যায়। উন্নত বিশ্বের সফলতার মঞ্চে তাদের খুঁজে পাওয়া অনেকটাই দায়।

প্রাতিষ্ঠানিক বর্ণবাদ যেমন সত্যি, তার চেয়ে বেশি সত্যি যেন নিজের সাংস্কৃতিক ক্ষুদ্রতা। সামাজিক জীবনে অতি বাঙালিত্ব চর্চা অথবা ধর্মের দিকে অন্ধভাবে ঝুঁকে পড়ার প্রবণতা দেখা যায়।

এই সবকিছু ছাপিয়ে বাঙালিদের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে বৈশ্বিক মঞ্চে দাপটের সঙ্গে এগিয়ে চলেছেন- কথা হয় এমনি ক'জনের সঙ্গে।

নোবেলের জন্য রুহুল আবিদ: এই মুহূর্তে প্রবাসী বাঙালিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় যিনি রয়েছেন তিনি আর কেউ নন- ড. রুহুল আবিদ। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সাধারণ জনগণ বিশেষ করে রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেয়া তার উদ্যোগের জন্য আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস বিশ্ববিদ্যালয় তাকে মনোনীত করেছে এ'বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য, যা বাংলাদেশিদের জন্য এক বিশাল গর্বের বিষয়।

পেশায় চিকিৎসক রুহুল আবিদ পিএইচডি করেছেন জাপান থেকে। সেখান থেকে চলে আসেন আমেরিকায়। বহুদিন পড়িয়েছেন, পাশাপাশি গবেষণা করেছেন পৃথিবীর অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয় হার্ভার্ডে।

বাংলাদেশের ডাক্তাররা সাধারণত উন্নত বিশ্বে পাড়ি জমাতে চান না কারণ তাদের জন্য এই পথ তুলনামূলক ভাবে অন্য পেশাজীবীদের থেকে অনেক কঠিন। কিন্তু আশির দশকের এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের তুখোড় ছাত্রনেতা জানতেন তিনি সমাজকে কতটা দিতে পারেন। আর সেটা দেয়ার জন্য তার প্রয়োজন ছিল বৈশ্বিক মঞ্চ।

যেই প্রাতিষ্ঠানিক বর্ণবাদ উন্নত বিশ্বে আমাদের গতির পথে বাধা বলে মনে করি - সেই বর্ণবাদ আদতে বাংলাদেশেই বিদ্যমান এবং তা গভীরভাবে। সমস্যা হল বর্ণবাদ বিষয়টি কী, সেই বিষয়েই দেশে বাঙালিরা অবগত না। এই প্রসঙ্গে কথা হচ্ছিল রুহুল আবিদের সঙ্গে।

''আমাদের একটি বড় সমস্যা হল আমাদের মানুষকে মানুষ হিসেবে শ্রদ্ধা করতে শেখানো হয় না। আমাদের সমাজে শ্রেণি বৈষম্য প্রকটভাবে বিদ্যমান,'' তিনি বলেন।

ড. আবিদ বলেন, তাঁর জীবনের 'মোড় ঘুরে যায়' যখন এমবিবিএস পাশের পর তিনি চা বাগানে চাকরি করতে যান।

''আমি খুবই অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম- হাম থেকে মৃত্যুর হার সেখানে অনেক বেশি। অথচ সেটিকে সবাই অতিপ্রাকৃত শক্তিতে অপমৃত্যু বলে মনে করে। তখন আমি উদ্যোগ নেই মানুষকে সচেতন করার, টিকা নেয়ার।

''তাদের বোঝানোর বিষয়টি সহজ ছিল না। কিন্তু বোঝার পর যে আবেগ আর ভালোবাসা তারা ফিরিয়ে দিলো- তা আমার জীবনের চিন্তা ভাবনাকে আমূল পাল্টে দিল,'' তিনি বলেন।

উন্নত বিশ্বে সাধারণত উচ্চ শিক্ষিতরাই পাড়ি জমিয়েছেন, না হলেও সেই দেশের পরিবেশে, জীবনধারার সঙ্গে তাদের পরিচয় হয়েছে। কিন্তু এই বড় পরিসরে এসে যেখানে মন মানসিকতা ও চিন্তা ভাবনার বিস্তৃতি হওয়ার কথা, বাস্তবে ঠিক তার উল্টোই দেখা যায়। এর কারণ হিসেবে ড. আবিদ দায়ী করেন বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে।

''আমাদের দেশে বিজ্ঞান বা বাণিজ্য শিক্ষার পাশাপাশি শিল্প, সাহিত্য নিয়ে শিক্ষা দেয়া হয় না। ফলে আমাদের মননের বিস্তৃতি ঘটে না। প্রশ্ন করতে শেখানো হয় না।

''বিদেশে এসেও নিজেদের ধরে রাখতে সাংস্কৃতিক চর্চা করা হয় না। গান, নাচ, কবিতা শিখতে যাওয়া বা দেখতে যাওয়ার চাইতে ধর্ম চর্চা করা অনেক সহজ। ফলে একটা সময়ের পর বহু মানুষকে ধার্মিক, পরবর্তীতে মৌলবাদী মন মানসিকতার হতে দেখা যায়,'' তিনি বলেন।

এর সাথে যোগ করে তিনি নিজের উদাহরণ দেন, কীভাবে জাপানের মতো রক্ষণশীল সমাজে গিয়েও তিনি সক্ষম হয়েছিলেন বন্ধুত্ব করতে। মানুষ শুরুতে বিরূপ আচরণ করতেই পারে। কিন্তু নতুন দেশে এসে সেখানকার সংস্কৃতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারা যে কোনো প্রবাসীর দায়িত্ব।

উন্নত বিশ্বে জীবন যাত্রায় বিনোদনের বা সুস্থ জীবনধারার জন্য শত উপায় থাকলেও, বাঙালিরা যেন নির্দিষ্ট দলের মাঝে ঘুরে ঘুরে দাওয়াত আয়োজনের মধ্যেই সকল আনন্দ খুঁজে পান। তিনি বলেন এভাবে প্রবাসী বাঙালিরা একটি 'আমিষ সমাজে' পরিণত হতে চলেছে (আমিষরা আমেরিকার একটি ক্ষুদ্র ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত জনগোষ্ঠী যারা নিজেদের সমাজেই থাকতে এবং অন্য সব জাতি থেকে নিজেদের দূরে রাখায় বিশ্বাস করে)।

''নিজেদের মধ্যেই জগতকে খুঁজতে গেলে ক্যারিয়ারে অন্যতম উচ্চতায় কখনোই যাওয়া সম্ভব না। কারণ ক্যারিয়ারের সুযোগ, সম্পর্কের মাধ্যমেই আসে। আর তার জন্য ভিনদেশীদের সঙ্গেও সমান্তরাল সামাজিক সম্পর্ক থাকতে হবে,'' তিনি বলেন।

গুগলে জাহিদ সবুর: আমরা মানুষের সফলতা দেখি, তাতে ঈর্ষান্বিত হই। কিন্তু তার পেছনে কাটানো কষ্ট আর পরিশ্রম করতে বেশিরভাগই রাজি হই না। মাত্র ৩৫ বছর বয়সে গুগলের প্রিন্সিপ্যাল প্রকৌশলী এবং পরিচালক জাহিদ সবুর দেখেছেন জীবনের উত্থান পতন সেই কিশোর বয়সেই।

এক শিক্ষক দম্পতির পরিবারে জন্ম নেয়া জাহিদ সবুর সংসারের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন মাত্র পনের বছর বয়সে। মানুষের কোন কষ্টই আসলে কষ্ট না, যতক্ষণ কেউ বেঁচে থাকার মৌলিক বিষয়গুলো- খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান নিয়ে কষ্ট করে। জাহিদ সে কষ্ট করেছেন।

জীবনের সেই বয়সে এই ধরনের কঠিন সময় বেশিরভাগ কিশোরকেই করে তুলে পথভ্রষ্ট। জাহিদ সবুর শুধু সেই বয়সে নিজের কম্পিউটারের ব্যবসা শুরুর মাধ্যমে পরিবারকে রক্ষাই করেননি- আরো ভালোভাবে করার প্রত্যয়ে মাত্র ও'লেভেল সমাপ্ত করেই ভর্তি হয়ে যান কম্পিউটার প্রকৌশলের স্নাতকে।

দ্বিতীয় সেমিস্টার থেকে শুধু বৃত্তি নিয়েই এগিয়ে যান নি- ডিস্টিংশনের সঙ্গে পাশ করে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে জয়েন করেন গুগলে, পিএইচডির বৃত্তিতে বিদায় জানিয়ে।

তিনি এমন একটি সময়ে গুগলে জয়েন করেন যখন এখানে চাকরি করার কথা বাংলাদেশে কেউ ভাবতেই পারেনি। তবে যিনি কখনোই গৎবাঁধা নিয়মে চলেননি - তার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেয়া কঠিন কিছু ছিল না।

উন্নত বিশ্বের বৃহৎ পরিসরে বাঙালিদের পরিচিতি একেবারেই না থাকায়, মি. সবুর জন্ম দেন অনেকের আগ্রহের। তিনি দেখতে ভারতীয়দের মতো হলেও - কোথায় যেন ভিন্নতা। সেই ভিন্নতাকে গর্বের সঙ্গে আলোকিত করে এগিয়ে যান তিনি।

প্রায় দেড়শ'র মতো প্রকৌশলী বর্তমানে গুগলে তার অধীনে কর্মরত যার মধ্যে প্রায় ৩০-৩৫ ভিন্ন জাতীয়। এই সবার সঙ্গে মিশে তাদের জানতে তিনি চেষ্টা করেন। চাকরি জীবনের বেশিরভাগ সময় সুইজারল্যান্ডে কাটালেও খেলাধুলার প্রতি তার চিরন্তন ভালোবাসা তাকে উৎসাহিত করে বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমে উদ্বুদ্ধ হতে। তা সে পাহাড় বেয়ে উঠা হোক বা বাইসাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়া।

''উন্নত বিশ্বে বিশেষ করে বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে যেহেতু বিভিন্ন দেশীয় মানুষ কাজ করে, তাই নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যক্তিটি সাংস্কৃতিক ভাবে সবার সঙ্গে মিশতে পারবে কি না তা খুব গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়।

''দিন শেষে কাজের সাফল্য নির্ভর করে টিমের সাফল্যের উপর। আর একটি টিম তখনি সফল হতে পারে যখন প্রতিটি মানুষ নিজেদের ভিন্নতাকে দূরে রেখে একই পর্যায়ে এসে এক হতে পারে,'' তিনি বলেন।

জীবনের অনেক চড়াই উতরাই দেখেছেন বলেই হয়ত, হাজারো ব্যস্ততার মধ্যেও আজকের এই সাফল্যের সময়েও সাধারণ মানুষের পাশে তাকে পাওয়া যায়। অনলাইনে সবসময়ই তিনি তার অভিজ্ঞতাকে সবার সঙ্গে শেয়ার করে চলেছেন - যদি অন্তত একজনেরও তাতে উপকার হয়। গড়পড়তার একজন পেশাজীবী হয়ে জীবন কাটিয়ে দেয়া হয়ত খুব বেশি কঠিন কিছু নয়। কিন্তু খুব ভালো অবস্থানে যেতে মানুষ হিসেবে খাঁটি হওয়া খুব বেশি প্রয়োজন- এমনটিই মনে করেন জাহিদ সবুর।

শীর্ষ চল্লিশের অমিত চাকমা: 'বৈষম্যে আমি অভ্যস্ত!'- অমিত চাকমা'র এই একটি কথাই যেন বলে দেয় অনেক কিছু। সাধারণ বাংলাদেশিরা যেমন বিদেশে এসে লড়াই করেন নিজেদের জায়গা খুঁজে নেয়ার জন্য; অমিত চাকমা তা করেছেন নিজের জন্মভূমিতেই।

আদিবাসীদের প্রতি বাঙালিদের বিরূপাচরণ কোন নতুন ঘটনা নয়। অত্যন্ত ক্ষুদ্র একটি নৃ-গোষ্ঠীর সদস্য হয়েও সত্তর দশকের মাঝামাঝিতে ঢাকা কলেজে পড়তে আসেন। বন্ধু বানিয়ে ফেলেন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সহপাঠীদের। তার পথচলা থেমে থাকেনি সেখানেই।

আলজেরিয়াতে চলে যান রাসায়নিক কৌশলে স্নাতক করতে। সেরা শিক্ষার্থী হিসেবে পাশ করার পর চলে আসেন কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলম্বিয়াতে। এখানেই করেন মাস্টার্স এবং পিএইচডি। ক্যালগরি, রেজাইনা এবং ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার পর দুটি টার্মে প্রেসিডেন্ট হিসেবে কানাডার অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন অন্টারিও-র দায়িত্ব পালন করেন।

তার সময়েই এই শত বছরের পুরনো বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন করে ব্র্যান্ডিং করা হয়; নতুন নামকরণ হয় - ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়। কানাডার শিক্ষা ব্যবস্থায় তার অবদান অনেক। বিশেষ করে রেজাইনাতে পড়ানোর সময় কানাডার চল্লিশ বছর বয়সীদের মধ্যে শীর্ষ ৪০-এ তার নাম আসে। অতি সম্প্রতি ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব নিয়ে তিনি গিয়েছেন পৃথিবীর উত্তর থেকে একেবারেই দক্ষিণে।

যারা শিক্ষকতার সঙ্গে জড়িত তারা সবাই জানে এই খাতে যোগ্যতার পাশাপাশি সম্পর্ক ও সুযোগের সমীকরণ কতটা গুরুত্বপূর্ণ। অমিত চাকমা সারাজীবন যেমন শেখার পেছনে সময় দিয়েছেন; তেমনি সময় দিয়েছেন বিভিন্ন দেশের মানুষকে জানতে, তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে। এখনও এই বয়সে তিনি অনলাইনে স্প্যানিশ ভাষা শিখছেন।

আমাদের এতো মেধা থাকা সত্ত্বেও বিদেশে এসে আমরা নিজেদের এখনো সেই উচ্চতায় কেন নিতে পারছি না? প্রশ্ন করা হলে তিনি বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন অনেকটা এইভাবে- আমাদের মূল সমস্যা দুটি - সাংস্কৃতিক এবং শিক্ষাখাত।

''আমরা সাংস্কৃতিক চর্চার চেয়ে দলীয়করণ, নেতা হওয়ার লড়াই বেশি করি। সেই সঙ্গে প্রকৃত শিক্ষার অভাব। শিক্ষার মূল লক্ষ্য মন মানসিকতা বড় করা, দৃষ্টিভঙ্গিকে উন্মুক্ত করা। আমরা যত বেশি জ্ঞান অর্জন করবো, তত বেশি কোন কিছুকে বোঝা আমাদের জন্য সহজ হবে,'' অমিত চাকমা বলেন।

''এদিকে বাঙালি জাতির মধ্যে একতা আনা কখনোই সম্ভব না। সবচেয়ে বড় কথা- একটি দেশের নাগরিকত্ব আমরা যখন গ্রহণ করি বা পড়াশোনা করতে আসি অথবা দীর্ঘমেয়াদে থাকতে আসি, তা আমাদের নিজেদের নির্বাচন। সুতরাং সেই দেশের প্রতি সবচেয়ে বেশি অনুগত হওয়া দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।

''এই আনুগত্য দ্বিধাবিভক্ত হলে চলবে না। পাশাপাশি সেই দেশের আচার-আচরণ, মূল্যবোধ শেখা এবং পালন করাও জরুরি। আর তা না করতে পারলে সার্বিকভাবে কখনোই সফলতা অর্জন সম্ভব নয়,'' তিনি বলেন।

উন্নত বিশ্বে সাধারণ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে বিভিন্ন পেশার মেধাবীরাই আসেন। তাই এই কঠিন প্রতিযোগিতার জগতে দূর থেকে কখনোই বোঝা সম্ভব নয়- যারা সফল হচ্ছেন, তারা কতটা চাপ সহ্য করে জীবনে এগিয়ে যাচ্ছেন।

একটি মানুষের বেড়ে উঠা, তারা সফলতার পেছনে অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। নতুন পরিবেশে বেড়ে উঠার জন্য চাই নতুনকে গ্রহণের মন মানসিকতা। রুহুল আবিদ, জাহিদ সবুর এবং অমিত চাকমা, তিনজনই জোর গলায় বললেন, বাংলাদেশের মতো ছোট্ট একটি দেশে নানা প্রতিকূলতা, ক্ষুদ্রতার মধ্য দিয়ে বেড়ে উঠেও বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে সফল হতে গেলে একটি বিষয়ের কোন বিকল্প নেই - অন্য দশজনের চাইতে কয়েক গুণ বেশি কঠোর পরিশ্রম। আপনি রাজি সেই পরিশ্রমটুকু করতে? সূত্র: বিবিসি বাংলা

ফ্রান্সের উচিৎ মুসলিম দেশগুলোতে হস্তক্ষেপ বন্ধ করা: রুহানি