বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০ ইং, ১৩ কার্তিক ১৪২৭ বাংলা

রপ্তানি পণ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে পাট
ঢাকা কনভারসেশন ডেস্ক প্রকাশিত হয়েছে: ২০২০-১০-০৭ ১১:৫৩:৫৩ /
ফ্লাইট চালুর পর সৌদি ফিরেছেন ৩১ হাজার বাংলাদেশি

দেশে রপ্তানি যোগ্য পণ্যের মধ্যে পাটের অবস্থান এখন দ্বিতীয়। চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-আগস্ট ও সেপ্টেম্বর) পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি করে ৩০ দশমিক ৭৫ কোটি ডলার আয় করেছে বাংলাদেশ।

সোমবার (৫ অক্টোবর) প্রকাশিত রপ্তানির উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) মাসিক প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পাট মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাট ও পাটজাতপণ্যের এই রপ্তানি আয় গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৩৯ দশমিক ২৬ শতাংশ বেশি। আর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ১১ দশমিক ৮৫ শতাংশ বেশি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পাট খাত উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের নানামুখী কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ফলে জাতীয় অর্থনীতিতে এ খাত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। বর্তমানে রপ্তানি বাণিজ্যে চামড়াকে ছাড়িয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে পাট খাত।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, চলতি পাট মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, পাট চাষ নিশ্চিতে বীজ সরবরাহ সঠিক রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সরকার মানসম্মত পাটের উৎপাদন বাড়ানো ও পাটবীজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে পাট অধিদফতরের আওতায় ‘উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ’ শীর্ষক প্রকল্পটি ২০১৮ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের মার্চ মেয়াদে বাস্তবায়ন করছে।

প্রকল্পটি দেশের ৪৬টি জেলার ২৩০টি উপজেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে পাটচাষের উন্নত কলাকৌশল সম্পর্কে চাষীরা প্রশিক্ষিত হচ্ছে। এছাড়া গুণগত ও মানসম্মত পাট এবং পাটবীজ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সরকার কৃষকদের ৩৯০ টন পাটবীজ বিনামূল্যে বিতরণসহ সব ধরনের সহায়তা অব্যহত রেখেছে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

হাজী সেলিম ও তার ছেলে ইরফানের সম্পদের তথ্য সংগ্রহ করছে দুদক