মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০ ইং, ৫ কার্তিক ১৪২৭ বাংলা

লাদাখকে স্বীকার করিনা, চীনের সাফকথা
ঢাকা কনভারসেশন ডেস্ক প্রকাশিত হয়েছে: ২০২০-১০-১৬ ১৭:০৩:২৬ /
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তালিকায় বাংলাদেশের করোনা ভ্যাকসিন

বেইজিং আবারো বলেছে, তারা লাদাখকে স্বীকার করে না। গত বছর নয়া দিল্লী এটিকে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে এবং এটিই চীন-ভারত সীমান্ত বিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।ভারতীয় মিডিয়া সাম্প্রতিক সপ্তাহে একটি খবর প্রকাশের পর চীন এই বক্তব্য দিলো। ভারতীয় মিডিয়ার খবরে বলা হয়, তারা সম্প্রতি পার্বত্য অঞ্চলটিতে আটটি সেতু নির্মাণের কাজ শেষ করেছে।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান  বলেন, ভারতের অবৈধভাবে প্রতিষ্ঠা করা তথাকথিত লাদাখ ইউনিয়ন এলাকাকে চীন স্বীকৃতি দেয় না। তিনি আরো বলেন, সামরিক নিয়ন্ত্রণের জন্য বিরোধপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় অবকাঠামো নির্মাণের বিরোধিতা করে বেইজিং।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আরেক মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন ২৯ সেপ্টেম্বর প্রায় একই ধরনের বিবৃতি দিয়েছিলেন।

বেইজিং গত বছরের ৩১ অক্টোবর সৃষ্ট লাদাখ ইউনিয়ন টেরিটরির বিরোধিতা করে আসছে প্রকাশ্যেই। জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্য ভেঙে দুটি অংশে পরিণত করে ভারত। উভয় অংশটিকেই কেন্দ্রীয় শাসনাধীনে নিয়ে আসা আসা হয়। অবশ্য গত মাসের আগে পর্যন্ত চীন আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিরোধিতার কথা জানায়নি।

ঝাওয়ের মন্তব্য ও বিরোধপূর্ণ এলাকায় বিপুল সৈন্যের উপস্থিতি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে বেইজিং ও দিল্লী এখনো কয়েক মাস ধরে চলা অচলাবস্থা নিরসনে কূটনৈতিক সমাধানে আসতে পারেনি।

হংকংয়ের স্কুল অব ল’র অধ্যাপক ওয়াং জিয়াংয়ু বলেন, আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে বলা যায়, ওই এলাকার উপর ভারতের সার্বভৌমত্ব নিযে চীন প্রশ্ন তুলছে। চীন অতীতে কেবল ভারতের পদক্ষেপের বিরোধিতা করত।

তিনি বলেন, সীমান্ত বিরোধের মতো বিরোধপূর্ণ ইস্যুতে বিদেশী রাষ্ট্রগুলোর আপত্তি উত্থাপন প্রতিষ্ঠিত রীতি। লাদাখ গঠনের সময় চীন আপত্তি উত্থাপন করতে পারত। তবে ‘স্বীকৃতি না’ দেয়ার কথা বলে চীন সুনির্দিষ্টভাবে ভারতের দাবি নাকচ করে দিলো।

ওয়েস্ট বেঙ্গল ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব জুরিডিক্যাল সায়েন্সেস ইন ইন্ডিয়ার আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক অতুল আলেক্সান্ডার বলেন, বেইজিংয়ের সাম্প্রতিক অবস্থান পরিবর্তন উভয়পক্ষের দায়বদ্ধতার অভাবকেই প্রকাশ করছে। অর্থাৎ দেশ দুটি স্থিতিবস্থার পরিবর্তনে একমত হচ্ছে না এবং সংলাপের মাধ্যমে ইস্যুগুলোর নিরসনেও রাজি হচ্ছে না।সাউথ এশিয়ান মনিটর

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ডিআইজি মিজানসহ চারজনের বিচার শুরু